আজ সোমবার,৩রা জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ,১৭ই মে, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ,বিকাল ৪:২২

ব্রেকিং নিউজ

বীরগঞ্জ উপজেলা শিক্ষা অফিসারের গাফিলতির কারণে ৬৫০জন শিক্ষকের মানবেতর জীবনযাপন

News

খায়রুন নাহার বহ্নি, বীরগঞ্জ(দিনাজপুর) প্রতিনিধিঃ দিনাজপুরের বীরগঞ্জ উপজেলা শিক্ষা অফিসার মোঃ আবুল কালাম আজাদ এর বিরুদ্ধে ব্যাপক সেচ্ছাচারিতা ও অনিয়মের অভিযোগ এনে কতৃপক্ষের মাধ্যমে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী বরাবর এক লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে।

রবিবার (১৪ই মার্চ) সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকাবৃন্দের পক্ষে বাংলাদেশ প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক সমিতি বীরগঞ্জ উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মোঃ শরিফুল ইসলাম শামীম সহ শিক্ষকদের গনসাক্ষরকৃত অভিযোগটির অনুলিপি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়, জাতীয় সংসদ সদস্য দিনাজপুর-১ (বীরগঞ্জ-কাহারোল), জেলা প্রশাসক, জেলা শিক্ষা অফিসার, উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবরে প্রেরণ করা হয়েছে। অভিযোগে উল্লেখ রয়েছেন, উপজেলা শিক্ষা অফিসার নতুন জাতীয়করণ ১৩৬ টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রায় ৬৫০ জন শিক্ষকের ফেব্রুয়ারী ২০২১ইং মাসের বেতন প্রদান না করে পুরাতন ৮৬ টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বেতন প্রদান করেছেন।

এ বিষয়ে বেতন না পাওয়া শিক্ষকরা সম্মিলিত ভাবে একাধিকবার শিক্ষা অফিসারের সাথে যোগাযোগ করলে বরাদ্দের ঘাটতির কথা জানিয়ে কোন রকম বরাদ্দ ছাড়াই মোটা অংকের উৎকোচ গ্রহণের মাধ্যমে তিনি ২৩ জন শিক্ষককে প্রায় ২ কোটি ৫০ লাখ টাকা বকেয়া বিল ফেব্রুয়ারী ২০২১ ইং মাসে প্রদান করেন। শিক্ষকেরা বিলের বিষয়ে উপজেলা হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তার সাথে কথা বলে জানতে পারেন যে, বকেয়া বিল অবশ্যই শিক্ষকদের মাসিক বেতন-ভাতাদি নিশ্চিত করার পর দেওয়া হয়। অথচ উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা নিয়ম না মেনে ব্যাপক সেচ্ছাচারিতা ও অনিয়ম করে অবৈধভাবে ভোগ্যপণ্য ঋণের সুপারিশে স্বাক্ষরপ্রতি নগদ ৫০০(পাঁচশত) টাকা, শ্লীপ ও ক্ষুদ্র মেরামত বিলের ক্ষেত্রে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণের টাকা না পাওয়া পর্যন্ত কোন বিলই স্বাক্ষর দেন না। মোট কথা তিনি টাকা ছাড়া কোন কাজই করেন না।

এ ব্যাপারে ভুক্তভোগী শিক্ষক-শিক্ষিকাগণ মার্চ মাসের মাঝামাঝি এসেও ফেব্রুয়ারী মাসের বেতন ভাতাদি না পাওয়ায় মানবেতর জীবনযাপন করায় সংশ্লিষ্ট উর্ধতন কর্তৃপক্ষের সু-দৃষ্টি ও আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

     More News Of This Category